• ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Indian Constitution

দেশ

ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাব

মঙ্গলবার থেকে লোকসভায় শুরু হল বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক। দুদিন ধরে চলবে বিতর্ক। তার পরে সরকার পক্ষের শীর্ষ ব্যাক্তি তাঁর জবাবই বক্তব্য বলবেন। লোকসভায় বিরোধীদের মিলিত শক্তির চেয়ে সাংসদ সংখ্যার বিচারে সরকার পক্ষের শক্তি অনেক বেশি। তাই বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নরেন্দ্র মোদী সরকারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব আনলো বিরোধীরা। আর এই প্রথম লোকসভায় বিরোধীদের পারস্পরিক ঐক্য অনেক জমাট দেখাচ্ছে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে সংসদীয় রাজনীতির যে কৌশল রয়েছে তা হল মনিপুর প্রসঙ্গে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হবেন। কারণ, সময়, পরিস্থিতি ও বিষয় বিচার করে প্রধানমন্ত্রী কখনো মুখ খোলেন কখনো নীরব থাকেন। যেমন মনিপুরে হিংসা ছড়ানোর ৭৯ দিন পরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেন। মনিপুরে এখনো হিংসা থামেনি, লাগাতার হিংসা চললেও প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে আর মুখ খোলেননি।লোকসভার নিয়ম অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ মল্লিকার্জুন খারগের পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের ৭৯জন সাংসদ সাক্ষর করেছেন। বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস ছাড়া সংসদে অস্তিত্ব রয়েছে এমন সব বিরোধী দলই প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগের দিন রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ায় বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস অনেকটাই উজ্জীবিত। ১৩৪ দিন সংসদের বাইরে থাকার পরে সাংসদ পদ ফিরে পেলেন রাহুল।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনইতিহাসের হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ইতিহাসের অনেক ঘটনা কিছু কিছু লক্ষণ পরবর্তী কালে দেখা যায়। যেমন ১৯৬৩ সালে অগাষ্ট মাসে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে নেহেরু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্যও রয়েছে। ১৯৬৩ সালে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব ছিল স্বাধীন ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথম। সেই সময় দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করতেন স্বাধীনতা এনেছে কংগ্রেস। তাই ১৯৬২ সালে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন লোকসভায় আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪। ৩৬১টি আসন পেয়ে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হন নেহেরু। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। ১৯৬২সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলে নেহেরু সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। কংগ্রেস কোনঠাসা হয়ে পড়ায় ক্রমাগত হারতে থাকা বিরোধীরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই আবহে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত হয় কংগ্রেস। কংগ্রেসকে সংসদে আরও চাপে ফেলতে বিরোধীরা কক্ষ সমন্বয় ঐক্যে পৌঁছয়। ফলে লোকসভায় প্রথমবার অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয় নেহেরু সরকার।সেই সময় লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন হুকোম সিং। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে একাধিক রাজনৈতিক দল অধ্যক্ষের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন প্রজাশক্তি পার্টির শীর্ষ নেতা ও সাংসদ আচার্য জে বি কৃপালনী। ভারতীয় জনসংঘ ও সিপিআই, পৃথকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। সিপিআইয়ের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সাক্ষর না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আচার্য কৃপালনীর আনা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ায়। অধ্যক্ষ হুকোম সিং আচার্যর আনা প্রস্তাবে আলোচনার অনুমোদন দেন। ১৯ অগাষ্ট লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক শুরু হয়।বিরোধীদের পক্ষে আলোচনা শুরু করেন আচার্য কৃপালনী । তিনি তাঁর বক্তব্যে শুধু চিন-ভারত যুদ্ধ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও আনেন। লোকসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের শক্তির ফারাকের কথা মাথায় রেখে আচার্য কৃপালনী বলেন, শুধু সাংসদ সংক্ষ্যা হিসেব করলে চলবে না। প্রাপ্ত ভোটের হিসেব করলে দেখা যাবে বিরোধীদের শক্তি সরকার পক্ষের থেকে বেশি। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে সরকার পক্ষ ৪৬ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিরোধীরা । এর থেকে প্রমানিত হয় বিরোধীরাই সংসদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতকেই পেশ করছে। প্রস্তাবের পক্ষে বিরোধী নেতারা বক্তব্য বলার পাশাপাশি সরকার পক্ষের হয়ে বক্তব্য বলেন মোরারজি দেশাই ও ভগবৎ ঝা আজাদ প্রমুখ। সবশেষে জবাবী ভাষনের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,বিরোধীদের মধ্যে এই বিচিত্র সমঝোতার মূল কারণ হলো আমার বিরোধিতা করা। তাই বিরোধীদের বক্তব্যের পুরোটাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তা হল প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও ব্যক্তি নেহেরুর বিরুদ্ধে মিলিত ব্যক্তিগত আক্রমণ।আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়প্রত্যাশিত ভাবেই বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব সংসদ কক্ষে ভোটে পরাজিত হয়। তবে চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলে নেহেরুর জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরে। সেই সুযোগে দলের মধ্যেও তাঁর বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে ক্ংগ্ৰেসের পরাজয় এবং বিরোধীদের জমাট এক্য - সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন নেহেরু। তার আঁচ গিয়ে পড়ে তাঁর শরীরে। ধীরে ধীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ১৯৬৪ সালের ২৭ শে মে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবস ও ভারতের সংবিধান, জানা ইতিহাসের আজানা দিক গুলি জেনে নিন এক ঝলকে

১৯৫০ থেকে প্রত্যেক বছর ২৬ জানুয়ারি দিনটি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে মহাসমারোহে পালিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। দীর্ঘকাল বৈদেশিক অনুশাসনে থাকার জন্য ভারতের কোনও নিজস্ব স্থায়ী সংবিধান ছিল না। সে কারণে ব্রিটিশ সরকারের ১৯৩৫ সালের গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট-এর সংশোধিত সংস্করণ অনুযায়ী স্বাধীন ভারত শাসিত হত।১৯৫০-এ গণপরিষদের সদস্যদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হচ্ছে ভারতের সংবিধানদেশ চালাতে গিয়ে নানা জায়গায় ঠোক্কর খেতে হচ্ছিল তৎকালীন নেহেরু সরকারকে, ভীষণভাবে ভারতের নিজস্ব সংবিধানের প্রয়োজন দেখা দিতে শুরু করে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে সংবিধান সভার ঘোষণা করা হয়, সেই সভায় সংবিধান সভার সদস্যদের নির্বাচন করে নেওয়া হয়। ডঃ বি আর আম্বেদকর, জওহরলাল নেহরু, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, মৌলানা আবুল কালাম আজাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনগ্রাহ্য জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে সংবিধান সভা তৈরি করা হয়। বাবাসাহেব আম্বেদকরের নেতৃত্বে ভারতে স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি খসড়া কমিটি গড়ে তোলা হয় ১৯৪৭-র ২৯ অগস্ট। সে বছরেই ৪ নভেম্বর খসড়া কমিটি সদস্যরা সংবিধান সভায় ভারতীয় সংবিধানের একটি খসড়া জমা দেয়।নন্দলাল বসুর স্কেচ ও প্রেম বিহারী নারায়ণ-র হাতের লেখাপ্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ# ১৯৫০ র ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে ভারতের সংবিধান কার্যকরী হয়। # এই সংবিধান পৃথিবীর দীর্ঘতম হাতে লিপিবদ্ধ করা সংবিধান।# ২৫১ পাতার এই গ্রন্থটির ওজন প্রায় তিন কেজি ৭৫০ গ্রাম।# সর্বমোট ৩০৮ জন সদস্য বিশিষ্ট এক প্যানেল ১৯৫০এ ২৪শে জানুয়ারি সংবিধানে স্বাক্ষর করে তাঁর বৈধতা দেন।# মোট ২২টি ভাষায় সংবিধান লিপিবদ্ধ আছে। # প্রখ্যাত ক্যালিগ্রাফিস্ট প্রেম বিহারী নারায়ণ রায়জাদা পন্ডিত জহরলাল নেহরুর অনুরোধে বিনা পারিশ্রমিকে টানা ছয় মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেন। # আইন কানুন লিপিবদ্ধ করা ছাড়াও এই বইয়ে অনেক নকশা আঁকা আছে, সেই নকশার বেশীরভাগ-টাই এঁকেছেন প্রবাদপ্রতিম শিল্পী নন্দলাল বসু ও তৎকালীন শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা।# প্রজাতন্ত্র দিবসের আট কিলোমিটারের কুচকাওয়াজ শুরু হয় রাইসিনা হিল থেকে। প্রত্যেক বছর একজন রাষ্ট্র নায়ক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১৯৫০ সালে প্রথমবারের অনুষ্ঠানেএসেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। উল্লেখ্যঃ এই বারে কোভিড-১৯ বারবাড়ন্তের জন্য কোনও বিদেশী রাষ্টনায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।# প্রজাতন্ত্র দিবসের যে কুচকাওয়াজের ট্যাবলোগুলি আমরা দেখি, তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় পাঁচ কিলোমিটার।# যে রাস্তায় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়, সেই রাস্তার আদি নাম কিংসওয়ে। পরে সেই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে হয় রাজপথ।# ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন ইর্ভিন স্টেডিয়াম (বর্তমানে নাম পরিবর্তন করে ন্যাশনাল স্টেডিয়াম)-এ আয়োজিত হয়েছিল। সে সময়ে ইর্ভিন স্টেডিয়ামের চারদিকে কোনও প্রাচীর ছিল না ফলে সেখান থেকে লালকেল্লা পরিষ্কার দেখা যেত।# জাতীয় সংগীতের সময়ে ২১টি তোপধ্বনি করা হয়। জাতীয় সংগীতের শুরু থেকেই এই তোপধ্বনি দেওয়া শুরু হয় ও ৫২ সেকেন্ডের জাতীয় সঙ্গীত সমাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এরও সমাপ্তি ঘটে।# প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন থিমের ট্যাবলো অংশগ্রহণ করে। প্যারেডে অংশগ্রহণ করে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌ-সেনা ও বায়ুসেনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে প্রকাশ্য মঞ্চে কার্যত চ্যালেঞ্জ! নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে সম্মান করেন এবং তাঁর কথা শোনেন। তবে সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেতানিয়াহু।জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মনে করেন তিনি ট্রাম্পের কথামতো চলেন। আবার আমেরিকায় অনেকের ধারণা, ট্রাম্পও তাঁর কথামতো সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই দুই ধারণাই ভুল বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। সব বিষয়ে দুই দেশের মত এক হবে, এমন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে তাঁর সরকার কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয়। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনার উপস্থিতি বজায় থাকবে বলেও জানান তিনি। যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন সেনা সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে তাঁর স্পষ্ট বার্তা।সম্প্রতি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাধিক শর্ত নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই শর্তগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিও ছিল। কিন্তু তারপরও দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কিছুটা কঠোর সুরে ইজরায়েলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইজরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর সমর্থন ছাড়া ইজরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।তবে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইজরায়েল নিজের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ফলে লেবানন ও ইরান ইস্যুতে আগামী দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের অবস্থান কতটা একসুরে থাকবে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

একদিনে দুই বিরোধী শিবিরে বড় ধাক্কা! মমতার পর এবার উদ্ধবের ঘরেও ভাঙন

দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ভাঙনকে ঘিরে। পূর্ব ভারতে তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পশ্চিম ভারতে বড় ধাক্কা খেল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। দলের ছয় সাংসদ একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।গত কয়েকদিন ধরেই উদ্ধব শিবিরে ভাঙনের জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন দলের সাংসদদের বৈঠকে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ অনুপস্থিত থাকেন। পরে জানা যায়, ওই সাংসদরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে শিণ্ডে শিবিরের সঙ্গে একীভূত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।দলবদল করা সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় দিনা পাটিল, সঞ্জয় দেশমুখ, নাগেশ পাটিল, ওমরাজে নিম্বলকর, ভৌসাহেব ওয়াকচৌর এবং সঞ্জয় যাদব। মোট নয়জন সাংসদের মধ্যে ছয়জন একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতাও এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।সোমবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে একনাথ শিণ্ডের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শিবির বদল করেন ওই সাংসদরা। এরপর শিণ্ডে দাবি করেন, তাঁর দলে আরও শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসও এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।এই দলবদলের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাল ঠাকরের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে কার দাবি বেশি শক্তিশালী হবে। একসময় যে দলকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি আবর্তিত হতো, সেই শিব সেনার নিয়ন্ত্রণ এখন কোন শিবিরের হাতে বেশি, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনাটি শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। লোকসভায় এনডিএর শক্তি আরও বৃদ্ধি পেল। বিরোধী জোটের জন্যও এই ভাঙন নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।এদিকে বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চাপ এবং ক্ষমতার সমীকরণের কারণেই এই দলবদল। তবে শিণ্ডে শিবিরের মতে, এটি আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থার ফল।সব মিলিয়ে ছয় সাংসদের দলবদল দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায় যোগ করল। আগামী দিনে এর প্রভাব কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন! প্রাণ বাঁচাতে জানলা ভেঙে ঝাঁপ, মৃত অন্তত ১৪

লখনউয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জ এলাকার ওই কোচিং সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবনের ভিতরে এখনও কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে বহু পড়ুয়া ভবনের একতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সেই সময় হুড়োহুড়িতে অনেকে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, আগুনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া চেষ্টা করছেন ভিতরে আটকে থাকা মানুষজন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। চারপাশের এলাকা খালি করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকা এবং আগুনের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে দমকল কর্মীদের বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং ভবনের ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে সাসপেন্ড! তৃণমূলে বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত, মমতার নামও নেই নতুন কমিটিতে

বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে। নতুন তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও পরিষদীয় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হয়।সোমবার নিউ টাউনের একটি বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়ের নাম সামনে আনা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন।নতুন কমিটি ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে দলের অন্যতম প্রধান মুখ এবং সংগঠনের কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হতো। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে দলের পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সাংগঠনিক পদ না থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।উল্লেখযোগ্যভাবে, মাসখানেক আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়েছে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার ঘোষণার পর সেই সংঘাত আরও নতুন মাত্রা পেল।নতুন কমিটি এবং তার সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার নামই নেই! নতুন তৃণমূলের কমিটি ঘোষণা হতেই বাংলার রাজনীতিতে তোলপাড়

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিদ্রোহী শিবিরের নব তৃণমূল। পালাবদলের পর থেকেই একাংশ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছিলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করল।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, নব তৃণমূলের ঘোষিত কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম নেই। বরং চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। ফলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বিদ্রোহী শিবিরের হাতেই চলে গেল।ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখতারুজ্জামানকে। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম এবং রথীন ঘোষ। চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এত দ্রুত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার অর্থ কি ভবিষ্যতে আলাদা প্রতীকের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবের সঙ্গে বহু বিধায়কের স্বাক্ষর ছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান।এরপর ধীরে ধীরে একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন। রাজনৈতিক সংঘাত আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।সোমবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিদ্রোহী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন কাউন্সিলর এবং একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায়। সেই বৈঠক থেকেই নব তৃণমূলের সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হয়।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে নব তৃণমূল কোন পথে এগোয় এবং তাদের রাজনৈতিক কৌশল কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
রাজ্য

ঘাটালবাসীর কপাল খুলল! বাজেটে বিশাল ঘোষণা, এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার যন্ত্রণা?

ঘাটালবাসীর বহু বছরের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা ঘিরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা ও জলযন্ত্রণায় জর্জরিত এলাকার মানুষ এবার স্থায়ী সমাধানের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।ঘাটাল অঞ্চল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। অতীতে জমিদারি আমলে বন্যার জল আটকাতে বিভিন্ন এলাকায় সার্কিট বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সেই বাঁধগুলির সাহায্যে নিচু এলাকা বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেত এবং কৃষিজমির পরিমাণও বাড়ানো সম্ভব হয়েছিল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে জমিদারি ব্যবস্থা বিলুপ্ত হলেও সেই পুরনো বাঁধগুলি রয়ে যায়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু বাঁধ দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে প্রতি বছর বর্ষার সময় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অন্যদিকে নদীতে জমতে থাকা পলির কারণে জলধারণ ক্ষমতাও ক্রমশ কমেছে। তার ফলেই বন্যার ঝুঁকি বছর বছর বেড়েছে।এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করতেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে এবং জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে।এর আগে তৃণমূল সরকার বারবার অভিযোগ করেছিল যে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার অভাবেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। গত লোকসভা নির্বাচনের সময়ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। ঘাটালের সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, এলাকার মানুষকে বন্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে না পারার দায় তিনি অনুভব করছেন।এরপর রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজও শুরু হয়েছিল। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এই ঘোষণার পর ঘাটালজুড়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বহু মানুষের প্রশ্ন, এতদিনের প্রতীক্ষার পর এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার দুর্ভোগ? প্রকল্পের কাজ কত দ্রুত এগোয় এবং তার বাস্তব ফল কতটা পাওয়া যায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন ঘাটালবাসী।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তরক্ষীদের জন্য বড় উপহার! এবার আর দিতে হবে না এই কর, বাজেটে চমক

বৃত্তিকর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে বিএসএফ জওয়ানদের আর বৃত্তিকর দিতে হবে না বলে বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্যও বড় স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। কর মকুবের ক্ষেত্রে মাসিক আয়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বহু নিম্ন ও স্বল্পবেতনের কর্মী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।সোমবার বিধানসভায় বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেট বক্তৃতায় তিনি একাধিক নতুন প্রকল্প ও সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির কথাও জানানো হয়েছে।তবে বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল বিএসএফ জওয়ানদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের প্রস্তাব। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করেন। দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এতদিন তাঁদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের কোনও বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না।সরকারের দাবি, সীমান্তরক্ষীদের এই অবদানের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই বৃত্তিকর থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে রাজ্যের বহু বিএসএফ জওয়ান সরাসরি আর্থিক সুবিধা পাবেন।একইসঙ্গে স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্য কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সব মিলিয়ে সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জওয়ান এবং সাধারণ কর্মজীবী মানুষের জন্য একাধিক স্বস্তির বার্তা উঠে এসেছে।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

কত টাকা উঠেছিল? আদালতের এক প্রশ্নেই নতুন করে চর্চায় ইন্দ্রনীল-মধুছন্দা

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-কে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগে নতুন মোড় এল আদালতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত।বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই তথ্যও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর বিশেষ প্রিভিউ শো-এর জন্য উচ্চ মূল্যে পাস বিক্রি করা হয়েছিল। মধুছন্দা সেনের সংস্থা এই পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।সোমবার আদালতে শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, এই প্রক্রিয়ায় ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, গত দুই বছর ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই ইউনেস্কোর নাম এবং পরিচিতি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর নিয়ম অনুযায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাদের নাম বা পরিচিতি ব্যবহারের অনুমতি ছিল না বলেও আদালতে দাবি করা হয়।অন্যদিকে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দা সেনের আইনজীবীর বক্তব্য, ইউনেস্কো কখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করেনি। তাঁদের দাবি, প্রিভিউ শো-এর সঙ্গে ইউনেস্কোর নাম যুক্ত থাকলেও পাসে সেই পরিচিতি ব্যবহার করা হয়নি।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, অর্থের বিনিময়ে ডোনার পাস দেওয়া হলে তা বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যেই পড়ে কি না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।তবে আপাতত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী দুই সপ্তাহ কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না বলে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন তদন্ত রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal